এজাজ চৌধুরী, মঠবাড়িয়া:
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আদালত থেকে জামিনে এসে খালেদা বেগম নামে মামলার এক বাদীর ওপর আসামিরা দুই দফায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এমনকি আসামী পক্ষের লোকজন তাদের দলবল নিয়ে রাতের আঁধারে বাদীর বসত বাড়িতেও হামলা চালাতে যায়। হামলার স্বীকার মামলার বাদী বাদুরতলী গ্রামের ওমান প্রবাসী জাহেদুল ইসলাম রাসেলের স্ত্রী খালেদা বেগম গত দুই দিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে খালেদা বেগমের বোনের মেয়ে লিমা বেগম বলেন, তার খালার সাথে প্রতিপক্ষ নিরু, শহিদুল ও শোভনদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষরা গত ৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা বেগমের বাদুরতলী গ্রামের বাড়িতে হামলা চালায়।
পরে তারা মামলা করলে প্রতিপক্ষরা ১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে আসে। এসময় আদালত প্রাঙ্গনে তার খালাকে দেখে আসামীরা বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেয়। হাজিরা শেষে আদালত সম্মুখ সড়কে বসে শহিদুল, মিনি, মনি সহ কয়েকজনে খালেদা বেগমকে মারধর করে।
পরর্তীতে সে মঠবাড়িয়া থেকে বাড়িতে আসার পথে সাপলেজা বাজারে পৌঁছামাত্র প্রতিপক্ষরা আবার হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। লিমা আক্তার আরো জানান, প্রতিপক্ষরা ঘটনার দিন রাতে মটরসাইকেলের বহর নিয়ে খালেদা বেগমের বাড়িতে আবারও হামলা চালাতে আসে। এসময় এলাকাবাসী ডাকাত বলে চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়।
বর্তমানে আসামী পক্ষের লোকজনের অব্যহত হুমকির মুখে ওই পরিবারটি নিরাপত্তাহীনায় ঘর বন্দী হয়ে আছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন। এ ব্যাপারে নিরু সহ প্রতিপক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।